ঢাকা ১০:০৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সময়ের জোরালো তরুণ কণ্ঠস্বর

গোলাম রববানীর গুচ্ছকবিতা

  • বাংলাবাঁক
  • আপডেট : ০৯:০৫:২৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ ডিসেম্বর ২০২৪
  • 301

১. মনোবাসনা

আগামী তোমার হাতে
আমার জীবন যেন থাকে নিরাপদ

২. স্বপ্ন

হৃদয় গলিয়ে গলিয়ে তোমার জন্য
শুধু তোমার জন্য, একটি স্বপ্নের হাম্মামখানা গড়ব
সুযোগ পাইলে তুমি প্রণয়ের ভেলাতেই ভেসো।

৩. জীবন মরণের প্রভাত

মেহেদী রাঙানো তোমারই হাত
হোক আমার জীবন মরণের প্রভাত

৪. বাঁচার ঠিকানা

সবাই আশায় বাঁচে
আমি চাই তোমার মনের ঠিকানা পেতে
যেখানে আমার সমস্তই সমর্পিত হবে।

৫. ভালোবাসার কাঙাল

তুমি আমাকে ভালোবাসার কাঙাল করেছ।

৬. জান,,প্রণয়ে বাঁধা পড়েছি
খোলা চুলে বিলিয়েছিলাম
তোমার জন্য প্রাণ, তুমি জানো নাতো
তোমার চুলে বাঁধা পড়েছে আমার জীবন
তুমিই আমার জান।

৭. টিলাকন্যার নখ

মনে হয় টিলাকন্যার নখ হয়েছি
পারলে কাটতে কাটতে কিছুটা রেখো
দেখো, ভালোবাসা ফুরাবে না কখনও।

৮. অস্থিরতা

তোমাকে দেখার পর অস্থিরতার মাত্রা বেড়েছে।

৯. ভালোবাসার সূত্র

বিশ্বাস দিয়ে বিশ্বাস নিয়ো
এটাই তোমার প্রতি আমার ভালোবাসার সূত্র।
অথবা, বিশ্বাস রেখো বিশ্বাস করেই
এটাই আমার প্রতি তোমার ভালোবাসার সূত্র।

১০. অপুর্ব অধিকার

তোমার ঠোঁটের মালিকানা পেলে
চুমুর রাজত্ব সত্যিই আমার
সেটাই হবে তোমার আমার ভালোবাসার
রক্তিম গোলাপ।

১১. একটি রক্তগোলাপ

শুধু তোমাকে দেখলে
পৃথিবীর সমস্ত শান্তি গোলাপ
যেনও ফুটে আমার বুকে।

১২. মায়া

এ কেমন মায়ায় জড়ালে সোনা
যাতনার জ্বালানিতে পুড়ে বুকে জ্বলে
হৃদয়ের এই প্রদীপখানা।

১৩. চিন্তাগাছ

শোনো, মরে যেতে চাই আমি
মরণকে চিরকাল বাঁচিয়ে দিয়েই
তোমার স্মৃতিজুড়ে আমি নামক চিন্তাগাছটি লাগিয়ে।

১৪. আধুনিক মুখখানা

তোমার সামনে এসে বসলেই আমি-
যেন স্বর্গোদ্যানের পরম শীতল ছায়ার ছায়াতলে
নরম কোমল বিছানায় অনন্তঘুমের জগতে আমি
আধুনিক মুখখানা দেখি।

১৫. মনবস্ত্র

নিয়ম যখন নিয়তির কাছে পিছলে পিছলে পড়ে-
অগ্রহায়ণের ঘনকুয়াশায় কেটে কেটে আমি
তোমার সমস্ত অঙ্গে সংগোপনে মাখামাখি করি।

১৬. শুনতে কী পাও

তোমার সামনে এসে বসলেই পাঁজরে কাঁপন ওঠে
যেন যন্ত্রণায় বুকে এক ভুঁইচাপা ফোটে; আর
আবিদা আবিদা করে নির্ঘুম রাত অনবরত ডাকে।

১৭. দিতে চাই একখণ্ড মানভূমি 

কষ্টের কারখানা খুলেছি বুকের ভেতর
ভালোবাসার সোনালি ফসল উৎপাদন করবো বলে,-
তোমার জন্য বুকের মধ্যে অনাবাদি ভালোবাসা;
আবিদা,তোমার জন্য আবাদি মানভূমি পড়ে আছে।

১৮. ধূলিকণা ভেবো

তোমার চলার পথে ধূলিকণা হতে চাই
ইচ্ছে মতো মানে মনের মতো তুমি মাড়িয়ে যাবে, আমি বুক পেতে পেতে সহ্য করে নেব সবই
তোমার চরণের তলে অযত্নে-ই কী আমাত ঠাঁই হবে?
আমি তো পথের সামান্যই ধূলিকণা,
তুমি কী আমার হবে টিলাকন্যা? এই আমি ধূলিকণা।

১৯. টিলাকন্যা

এক জীবনের যত ভালোবাসা আছে বুকে
দেব তোমাকে কথা দিলাম,-
যদি বিষ দাও, পান করবো সাদরে।
তোমাকে দেখার পরে অস্থিরতা বেড়েছে ভীষণ,
যেন মরণের পাখা গজিয়েছে এক বিশালতা,
তোমার চিন্তায় চিনচিন করা মনরোগী
অর্জন করেছি যেন এক ফুজিয়ামা,
শোনো, লুকাতে নেই এভাবে উজ্জ্বল মৌসুমী-
জেনে বুঝেই উড়েছি উদোম হাওয়া!
তুমি আর কতটুকুই উড়াবে, বেঘূর্ণি বাতাসে?
আর পারছি না আমি, আর একমূহুর্ত থাকতে।
সারাদিন রাত শুধু তোমার কথা ভাবছি;
আর এই আমি তোমাকে অধিক ভালোবাসি।
এক জীবনের যত ভালোবাসা আছে বুকে
দেব তোমাকে কথা দিলাম,-
জীবন চাইলে
জীবনও দেবো: জেনে রেখো টিলাকন্যা, মনেপ্রাণে

২০. তীব্র অনুভূতি

ভোরের নির্মল বাতাস এখানে
পুলকিত হতে আসে, পুলকিত হই আমি
ঠিক যেন এই পৃথিবীর নিচে
হারিয়ে ফেলছি নিজেকেই উদাসীন
আমরা দুজন অসম বয়সী
হয়ত মনের সাথে মনের মনমালিন্য করে
ইবাদত মন উপসনালয়ে
তুমি আর আমি ধীরে ধীরে একত্রিত হব বলে
গোপন ভালোবাসার সম্ভাবনা উড়ে
গোপন আরাধনার নিরাপদ মনে
যেখানে থাকে না কোনও প্রাচীর কোনও সীমানা
কী যে দুঃসহ যন্ত্রণা নাচে অকৃত্রিম বাতাসে
হারিয়ে যেওনা তুমি, তুমিই আমার তীব্র অনুভূতি
শুধু তুমিই আমার ইবাদতকারিণী সম্রাজ্ঞী ।।

২১. লেনাদেনা

যুগের চেয়ে ভালোবাসা বড় একটু এগিয়ে এসো-
এসে এই নাও হাতটি ধরো;
 মন নিয়ে মন বেঁধো।

২২. চিকন বিড়ম্বনা

অবহেলা কেন কর তুমি; তুমি প্রেমের ফুল-
আমার মনের ঠিকানা তোমার চিত্ত হোক ব্যাকুল।
আমার মতো উতলা এ মধ্যরাত দুপুর।

২৩. আলতো স্পর্শে

রাতচাঁদ, আচমকা একদিন
কোনদিন আঙিনায় এসে যদি হুট করে ছুঁয়ে বসে,—
শোনো প্রিয়, মেখে কি নেবে খুব আদরে?
মায়াতে কী জড়াবে তোমার ভালোবাসার চাদরে?

২৪.  ভালোবাসি

অথচ আমি সবকিছুই রাখবো আদ্যোপান্তের মতো
তুমি শুধু তোমার অন্তরটুকু খোলা রাখো-
আমি জানি না আসলে;
যেটা বলতে চাই আমি সেইটা তুমি বুঝো কিনা…
চোখ পড় কি-না,  মন পড় কি-না, মনে রাখো কি-না

গোলাম রববানী, কেশবপুর, যশোর
জনপ্রিয় পোস্ট

আবু আফজাল সালেহর ছড়া: সমাজ, প্রকৃতি ও উৎসবের মেলবন্ধন

সময়ের জোরালো তরুণ কণ্ঠস্বর

গোলাম রববানীর গুচ্ছকবিতা

আপডেট : ০৯:০৫:২৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ ডিসেম্বর ২০২৪

১. মনোবাসনা

আগামী তোমার হাতে
আমার জীবন যেন থাকে নিরাপদ

২. স্বপ্ন

হৃদয় গলিয়ে গলিয়ে তোমার জন্য
শুধু তোমার জন্য, একটি স্বপ্নের হাম্মামখানা গড়ব
সুযোগ পাইলে তুমি প্রণয়ের ভেলাতেই ভেসো।

৩. জীবন মরণের প্রভাত

মেহেদী রাঙানো তোমারই হাত
হোক আমার জীবন মরণের প্রভাত

৪. বাঁচার ঠিকানা

সবাই আশায় বাঁচে
আমি চাই তোমার মনের ঠিকানা পেতে
যেখানে আমার সমস্তই সমর্পিত হবে।

৫. ভালোবাসার কাঙাল

তুমি আমাকে ভালোবাসার কাঙাল করেছ।

৬. জান,,প্রণয়ে বাঁধা পড়েছি
খোলা চুলে বিলিয়েছিলাম
তোমার জন্য প্রাণ, তুমি জানো নাতো
তোমার চুলে বাঁধা পড়েছে আমার জীবন
তুমিই আমার জান।

৭. টিলাকন্যার নখ

মনে হয় টিলাকন্যার নখ হয়েছি
পারলে কাটতে কাটতে কিছুটা রেখো
দেখো, ভালোবাসা ফুরাবে না কখনও।

৮. অস্থিরতা

তোমাকে দেখার পর অস্থিরতার মাত্রা বেড়েছে।

৯. ভালোবাসার সূত্র

বিশ্বাস দিয়ে বিশ্বাস নিয়ো
এটাই তোমার প্রতি আমার ভালোবাসার সূত্র।
অথবা, বিশ্বাস রেখো বিশ্বাস করেই
এটাই আমার প্রতি তোমার ভালোবাসার সূত্র।

১০. অপুর্ব অধিকার

তোমার ঠোঁটের মালিকানা পেলে
চুমুর রাজত্ব সত্যিই আমার
সেটাই হবে তোমার আমার ভালোবাসার
রক্তিম গোলাপ।

১১. একটি রক্তগোলাপ

শুধু তোমাকে দেখলে
পৃথিবীর সমস্ত শান্তি গোলাপ
যেনও ফুটে আমার বুকে।

১২. মায়া

এ কেমন মায়ায় জড়ালে সোনা
যাতনার জ্বালানিতে পুড়ে বুকে জ্বলে
হৃদয়ের এই প্রদীপখানা।

১৩. চিন্তাগাছ

শোনো, মরে যেতে চাই আমি
মরণকে চিরকাল বাঁচিয়ে দিয়েই
তোমার স্মৃতিজুড়ে আমি নামক চিন্তাগাছটি লাগিয়ে।

১৪. আধুনিক মুখখানা

তোমার সামনে এসে বসলেই আমি-
যেন স্বর্গোদ্যানের পরম শীতল ছায়ার ছায়াতলে
নরম কোমল বিছানায় অনন্তঘুমের জগতে আমি
আধুনিক মুখখানা দেখি।

১৫. মনবস্ত্র

নিয়ম যখন নিয়তির কাছে পিছলে পিছলে পড়ে-
অগ্রহায়ণের ঘনকুয়াশায় কেটে কেটে আমি
তোমার সমস্ত অঙ্গে সংগোপনে মাখামাখি করি।

১৬. শুনতে কী পাও

তোমার সামনে এসে বসলেই পাঁজরে কাঁপন ওঠে
যেন যন্ত্রণায় বুকে এক ভুঁইচাপা ফোটে; আর
আবিদা আবিদা করে নির্ঘুম রাত অনবরত ডাকে।

১৭. দিতে চাই একখণ্ড মানভূমি 

কষ্টের কারখানা খুলেছি বুকের ভেতর
ভালোবাসার সোনালি ফসল উৎপাদন করবো বলে,-
তোমার জন্য বুকের মধ্যে অনাবাদি ভালোবাসা;
আবিদা,তোমার জন্য আবাদি মানভূমি পড়ে আছে।

১৮. ধূলিকণা ভেবো

তোমার চলার পথে ধূলিকণা হতে চাই
ইচ্ছে মতো মানে মনের মতো তুমি মাড়িয়ে যাবে, আমি বুক পেতে পেতে সহ্য করে নেব সবই
তোমার চরণের তলে অযত্নে-ই কী আমাত ঠাঁই হবে?
আমি তো পথের সামান্যই ধূলিকণা,
তুমি কী আমার হবে টিলাকন্যা? এই আমি ধূলিকণা।

১৯. টিলাকন্যা

এক জীবনের যত ভালোবাসা আছে বুকে
দেব তোমাকে কথা দিলাম,-
যদি বিষ দাও, পান করবো সাদরে।
তোমাকে দেখার পরে অস্থিরতা বেড়েছে ভীষণ,
যেন মরণের পাখা গজিয়েছে এক বিশালতা,
তোমার চিন্তায় চিনচিন করা মনরোগী
অর্জন করেছি যেন এক ফুজিয়ামা,
শোনো, লুকাতে নেই এভাবে উজ্জ্বল মৌসুমী-
জেনে বুঝেই উড়েছি উদোম হাওয়া!
তুমি আর কতটুকুই উড়াবে, বেঘূর্ণি বাতাসে?
আর পারছি না আমি, আর একমূহুর্ত থাকতে।
সারাদিন রাত শুধু তোমার কথা ভাবছি;
আর এই আমি তোমাকে অধিক ভালোবাসি।
এক জীবনের যত ভালোবাসা আছে বুকে
দেব তোমাকে কথা দিলাম,-
জীবন চাইলে
জীবনও দেবো: জেনে রেখো টিলাকন্যা, মনেপ্রাণে

২০. তীব্র অনুভূতি

ভোরের নির্মল বাতাস এখানে
পুলকিত হতে আসে, পুলকিত হই আমি
ঠিক যেন এই পৃথিবীর নিচে
হারিয়ে ফেলছি নিজেকেই উদাসীন
আমরা দুজন অসম বয়সী
হয়ত মনের সাথে মনের মনমালিন্য করে
ইবাদত মন উপসনালয়ে
তুমি আর আমি ধীরে ধীরে একত্রিত হব বলে
গোপন ভালোবাসার সম্ভাবনা উড়ে
গোপন আরাধনার নিরাপদ মনে
যেখানে থাকে না কোনও প্রাচীর কোনও সীমানা
কী যে দুঃসহ যন্ত্রণা নাচে অকৃত্রিম বাতাসে
হারিয়ে যেওনা তুমি, তুমিই আমার তীব্র অনুভূতি
শুধু তুমিই আমার ইবাদতকারিণী সম্রাজ্ঞী ।।

২১. লেনাদেনা

যুগের চেয়ে ভালোবাসা বড় একটু এগিয়ে এসো-
এসে এই নাও হাতটি ধরো;
 মন নিয়ে মন বেঁধো।

২২. চিকন বিড়ম্বনা

অবহেলা কেন কর তুমি; তুমি প্রেমের ফুল-
আমার মনের ঠিকানা তোমার চিত্ত হোক ব্যাকুল।
আমার মতো উতলা এ মধ্যরাত দুপুর।

২৩. আলতো স্পর্শে

রাতচাঁদ, আচমকা একদিন
কোনদিন আঙিনায় এসে যদি হুট করে ছুঁয়ে বসে,—
শোনো প্রিয়, মেখে কি নেবে খুব আদরে?
মায়াতে কী জড়াবে তোমার ভালোবাসার চাদরে?

২৪.  ভালোবাসি

অথচ আমি সবকিছুই রাখবো আদ্যোপান্তের মতো
তুমি শুধু তোমার অন্তরটুকু খোলা রাখো-
আমি জানি না আসলে;
যেটা বলতে চাই আমি সেইটা তুমি বুঝো কিনা…
চোখ পড় কি-না,  মন পড় কি-না, মনে রাখো কি-না

গোলাম রববানী, কেশবপুর, যশোর