গন্ধেশ্বরী একমুঠো বৃষ্টি পাঠাবে
দেবব্রত রায়
পাখি-ওড়া গাছের ডালে কুড়োলের বিভীষণ-কামড় আর, ক্যামেল-কালারঘন দিনগুলো সেই-যে কুয়াশার হাঁ গিলে ফেলেছিল
আজও বেরিয়ে আসতে পারেনি
কিছু-কিছু ছায়া এতটাই ছোঁয়াচে,
সেখানে মানুষ গেলে রাক্ষস হয়ে যায়
এবং পাখি-গান, ট্রেসপাসার্স
অথচ একটা কুইল (পালকের কলম) ছাড়া ডিপ, ঝরনা অথবা, বলপেনে কোনো সোঁদা-গন্ধ কিংবা, বৃষ্টি-ভেজা হৃদয়ের ব্যাসার্ধ আঁকতে গেলে, সেসব সোনার পাথরবাটি অথবা, কাঁঠালের আমসত্ত্ব হয়ে ওঠে
যে বাড়ির জানালায়, ভোর হলো, দোর খোল , গান গেয়ে দশ-চাকার নীলতিমি ঘুম ভাঙায়, গলি-নম্বর জানা না-থাকলে, সে বাড়ির দরজা খোলা যায় না
আজকাল দেশ-গাঁয়ের রোদ না-এলেও, মাঝে-মাঝে বাবলা-ঝোপের হাওয়া ফ্ল্যাটে আসে
জানায়, কাল গন্ধেশ্বরী একমুঠো বৃষ্টি পাঠাবে
বাংলাবাঁক 
