অমোচনীয় বিন্দু
একেকটি বিন্দু একেকটি প্রাণ
অথবা অগুন্তি বিন্দুর সমষ্টি হলো এই বিস্ময়কর মহাজগৎ
বিশাল বিশাল তেলবাহী গাড়ি
রাস্তা কাঁপিয়ে শহরে প্রবেশ করে
কানাঘুসা চলছে
দেবদূত আর গোয়েন্দায় সারা শহর সয়লাব
ভ্যান গঘের টেবিল ফাঁকা
শপিং মলের শোকেসে তার সূর্যমুখী ফুল
লিখে নাও
তুমি কোন বিন্দুও না
যতক্ষণ না কয়েদির সংখ্যা
জেলসুপারকে হতচকিত করে দেয়
গণেশ পাইনের তুলি ছুঁতে পারেনি যে চাঁদকে
সম্ভাব্য দুর্ঘটনার আশঙ্কা সত্তেও
শুনেছি
চাঁদের গল্প।
চাঁদ
আমি কখনও দেখিনি।
চাঁদ
আমি
কখনও দেখিনি।
তাহলে চাঁদের রক্ত পান করে
আমি মাতাল হয়েছি–
এই অপবাদ
কেন আমি মেনে নিচ্ছি?
ইঁদুরের গর্ত
অযথা সময় নষ্ট করছো। অমিমাংসিত একটা দরজা তো আছেই।
সেই ভয় সেই ঘুরতে ঘুরতে কিউবিক ক্যানভাসে
সেঁধিয়ে যাওয়া, বিশাল ডুমুরগাছ তেমাথায়, ছায়া নিয়ে।
ইঁদুরগুলোকে খঁজে বেড়ানো বোকামি না?
চাষীরা ফিরছে। গর্তগুলো খুঁজে দেখা যাক, দীর্ঘদিন
সেগুলো গথিক স্থাপত্যের গোলকধাঁধায় ভাবলেশহীন।
ওখানেই জল, ওখানেই কাদামাটির লোহা
আর আগুন যা ফসিলে রূপান্তরিত হতে অনিচ্ছুক।
প্যাকেজ ইন্টেরিয়র
তোমার বিবাহদিনে সূর্য হাসছিল পুলিশি মেজাজে
ফুলগুলো ছড়িয়ে ছিটিয়ে ছিল মেঝেয়
কুকুরটা কোথায় গেল
না দারোয়ান না আত্মীয়স্বজন কেউ দেখতে পায়নি
একটাই কুকুর আর আমার নোনতা জিভ
১৮০ ডিগ্রি সেলসিয়াস হিমাংকের জোসনা
তেরো দিন নাপিতের দোকানে যাইনি
তেরো দিন টলটলে আগুনের গ্লাস আর চান্তাল আকেরমান
পাড়াপ্রতিবেশিদের মুখ দেখে মনে হলো
বাড়িতে আমার আগুন লেগেছে এখন শান্তি শান্তি
টাকা
পৃথিবী সূর্যের চারপাশে ঘোরে তুমি হানো
কিন্তু কে ঘোরায় পৃথিবীকে
টাকা
হ্যাঁ টাকাই পৃথিবীকে ঘোরায় প্রতিশ্রুতির আঙিনায়
এখন বলতে হবে তোমাদের কাকে বলে সূর্য
কে সূর্য
আমাদের তো জানা দরকার
কোথায় যাচ্ছি আমরা কোন কামারশালায়
না কি শুঁয়োপোকার পেটে
সূর্য কি নাবিকের লাইটহাউস
না কি তাজা টসটসে কোন আপেল
আপেল
যার স্বাদ আর স্পর্শ পেতে আমরা মরিয়া
কিন্তু ওটা তো দিনদিন আমাদের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে
বাংলাবাঁক 










