ঢাকা ০৬:৩৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
পোস্টমডার্ন কবিতা

দেবব্রত রায়ের দুটি কবিতা

  • বাংলাবাঁক
  • আপডেট : ০৫:০০:৩৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৪ অগাস্ট ২০২৪
  • 261


চোরাগোপ্তা স্রোত 



কিছু চোরাগোপ্তা-স্রোত এত অলি-গলি বানিয়েছে
শুধুমাত্র, বিদ্যাসাগর মশাইয়ের হাত থেকে
পালিয়ে বাঁচার জন্য
আসলে এত দেনা জমে গেছে তাঁর কাছে…
ভেজাল-দুধ-উথলানো নতুন সংসারের চৌকাঠে
সূর্যের আলো এবং কণ্ডোম না-এসে পৌঁছানোয়
ধোরাসাপ-লুডোর স্টেডিয়ামে তিল ধরার জায়গাটুকুও নেই
আর একবার গলিঘুঁজির মধ্যে ঢুকে পড়তে পারলেই, দুটো হাতের একজন চেঙ্গিজ খান তো অন্যজন রবার্ট ক্লাইভ হয়ে ওঠে
যাদের সাত-খুন মাফ
এবং ∞% গ্যারান্টি দিয়ে বলতে পারি, এই ৭ সংখ্যাটি মোটেই সুবিধের নয়
ছক্কাপাঞ্জাপুট নাকে দড়ি বেঁধে গলির ভিতরে গলি এবং তার পাকস্থলীতে লোকাল-বাস, ঠেলাগাড়ি, রিক্সা, টোটো,অটো এমনকী, হাওড়ার ব্রিজটাকেও টেনে নিয়ে যেতে চাইছে । যাতে না ময়দানের ঝোড়ো-হাওয়া এসে ঢুকে পড়তে পারে এক-ইঞ্চিও
পাবলো রুইজ/ পিকাসো 7-কে উলটানো নাক
বললেও, আমরা জানি, সাত-খুনের ৭-এ সমুদ্র
এবং সাতটা সমুদ্রই রক্তে নীল হয়ে আছে


কলুর বলদও বুড়িবালাম হয়ে ওঠে 



এলোমেলো হাওয়া এবং পর্দার ওড়া-উড়ি
না-পছন্দ হলে, ইচ্ছেমতো দরজা-জানলা
বন্ধ করে দেওয়ায় যায়
কিন্তু গাই-বাছুরের পিরিতে কসাইয়ের
ভিটেও বৃন্দাবন হয়ে ওঠে
মাথায় জ্বর চাপলে, বগলের থার্মোমিটাররাই গুমোট-লক্ষ্মণরেখার কপাট-ওপড়ানো-হাওয়া-বাতাসদের আমন্ত্রণ জানায়। কারণ তারা জানে,  চাবুক কখনোই, কালবোশেখের গুরুদেব হতে পারে না
অক্সিজেন-লেবেল মাসকাবারিতে এসে ঠেকলে, পোড়ো-দেয়ালেরা সা-তেই কালীরামের ঢোল হয়ে যাওয়া জানলা-দরজার ফুসফুসদের জানায়, ঠুলি খুলে পড়লে কলুর বলদও বুড়িবালাম হয়ে ওঠে এবং পৃথিবীর সমস্ত দেয়ালকেই তারা চার্লস- টেগার্ট মনে করে
দরজা-জানালা খোলার আওয়াজ শুনলেই বোঝা যায় বৃষ্টি থেমেছে
সে জলের ধারায় হোক কিংবা, বোমা,বুলেটেরই
জনপ্রিয় পোস্ট

পোস্টমডার্ন কবিতা

দেবব্রত রায়ের দুটি কবিতা

আপডেট : ০৫:০০:৩৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৪ অগাস্ট ২০২৪


চোরাগোপ্তা স্রোত 



কিছু চোরাগোপ্তা-স্রোত এত অলি-গলি বানিয়েছে
শুধুমাত্র, বিদ্যাসাগর মশাইয়ের হাত থেকে
পালিয়ে বাঁচার জন্য
আসলে এত দেনা জমে গেছে তাঁর কাছে…
ভেজাল-দুধ-উথলানো নতুন সংসারের চৌকাঠে
সূর্যের আলো এবং কণ্ডোম না-এসে পৌঁছানোয়
ধোরাসাপ-লুডোর স্টেডিয়ামে তিল ধরার জায়গাটুকুও নেই
আর একবার গলিঘুঁজির মধ্যে ঢুকে পড়তে পারলেই, দুটো হাতের একজন চেঙ্গিজ খান তো অন্যজন রবার্ট ক্লাইভ হয়ে ওঠে
যাদের সাত-খুন মাফ
এবং ∞% গ্যারান্টি দিয়ে বলতে পারি, এই ৭ সংখ্যাটি মোটেই সুবিধের নয়
ছক্কাপাঞ্জাপুট নাকে দড়ি বেঁধে গলির ভিতরে গলি এবং তার পাকস্থলীতে লোকাল-বাস, ঠেলাগাড়ি, রিক্সা, টোটো,অটো এমনকী, হাওড়ার ব্রিজটাকেও টেনে নিয়ে যেতে চাইছে । যাতে না ময়দানের ঝোড়ো-হাওয়া এসে ঢুকে পড়তে পারে এক-ইঞ্চিও
পাবলো রুইজ/ পিকাসো 7-কে উলটানো নাক
বললেও, আমরা জানি, সাত-খুনের ৭-এ সমুদ্র
এবং সাতটা সমুদ্রই রক্তে নীল হয়ে আছে


কলুর বলদও বুড়িবালাম হয়ে ওঠে 



এলোমেলো হাওয়া এবং পর্দার ওড়া-উড়ি
না-পছন্দ হলে, ইচ্ছেমতো দরজা-জানলা
বন্ধ করে দেওয়ায় যায়
কিন্তু গাই-বাছুরের পিরিতে কসাইয়ের
ভিটেও বৃন্দাবন হয়ে ওঠে
মাথায় জ্বর চাপলে, বগলের থার্মোমিটাররাই গুমোট-লক্ষ্মণরেখার কপাট-ওপড়ানো-হাওয়া-বাতাসদের আমন্ত্রণ জানায়। কারণ তারা জানে,  চাবুক কখনোই, কালবোশেখের গুরুদেব হতে পারে না
অক্সিজেন-লেবেল মাসকাবারিতে এসে ঠেকলে, পোড়ো-দেয়ালেরা সা-তেই কালীরামের ঢোল হয়ে যাওয়া জানলা-দরজার ফুসফুসদের জানায়, ঠুলি খুলে পড়লে কলুর বলদও বুড়িবালাম হয়ে ওঠে এবং পৃথিবীর সমস্ত দেয়ালকেই তারা চার্লস- টেগার্ট মনে করে
দরজা-জানালা খোলার আওয়াজ শুনলেই বোঝা যায় বৃষ্টি থেমেছে
সে জলের ধারায় হোক কিংবা, বোমা,বুলেটেরই