গনিমতের মালের মতো জীবনটা নিয়ে
গোলাম কবির
দুঃখ নদীর ছলাৎছলাৎ জলের
ঢেউয়ের তোড়ে ভেসে চলি
অকূল পাথারের কোনো এক নীল দরিয়ায়!
বুকের ভেতরে স্বপ্ন ভাঙা
কান্নার রোদ ঝিকিমিকি করে ওঠে,
আমি সেই স্বপ্নগুলো জড়ো করে
কান্নার রোদ পোহাতে পোহাতে হঠাৎ
করে দেখি ইতোমধ্যে রাত নেমে এলো।
সেই রাতের আকাশে জমে
জ্যোৎস্নারাতের ক্ষীর!
স্বপ্ন ভাঙা স্বপ্নগুলো
ধেই ধেই নেচে বুকের পাটাতন
মনেহয় ভেঙে ফেলছে!
সেই কষ্টে আমার হৃদয়
একা হতে হতে, একা হতে হতে
একদমই একা হয়ে যায়
দূর আকাশের কোনো এক
হঠাৎ খসে পড়া তারার মতো!
তারপর? তারপর থেকে হৃদয় আমার
মেঘ হয়ে জমে আকাশের নীলে,
উড়ে উড়ে টক্কর খায়
স্বপ্ন ভাঙা কান্নার রোদের সাথে!
আবার আমি গনিমতের মালের মতো
পাওয়া জীবনটা নিয়ে
দুঃখ নদীর ছলাৎছলাৎ জলের
ঢেউয়ে ভাসতে থাকি,
ডুবতে ডুবতে ভেসে উঠি!
এভাবেই একটা দীর্ঘ সময় পার করে
স্বপ্ন ভেঙে গেলে দেখি – আমার কিসের ভয়!
এই যে আমি দিব্যি বেঁচে আছি!
এভাবেই গনিমতের মালের মতো
পাওয়া জীবনটা নিয়ে
আয়েস করে থাকতে থাকতে
হঠাৎ করেই দুঃখ নদীর ছলাৎছলাৎ জলের
তোড়ে হারিয়ে গিয়ে মেঘ হয়ে বেঁচে থাকি!
বাংলাবাঁক 










